Sunday, September 29, 2013

Ways to build your sexual confidence



Dress the part


Feeling sexy often has little to do with, well, sex. In fact, building your confidence in bed doesn't even have to take place in the bedroom. Whether it's tossing your old, unflattering underwear, finding the right lighting, or taking a yoga class, there are plenty of easy (and fun!) ways to feel hotter than ever.


Feeling sexy doesn't start with lingerie, it starts with what you're wearing before you take your clothes off. For some women, nothing makes them feel hotter than their favorite pair of jeans, whether they’re “skinny” or not. Others love wearing a short(ish) skirt or a curve-hugging dress. Choose an outfit that flaunts the favorite part of your figure and you'll feel more confident all day long.



Turn down the lights

                                                                                   

Florescent lighting is nobody's friend. We've learned this the hard way in many a department store fitting room. On the contrary, finding the right lighting for your bedroom can make you look younger and prettier, and conceal any “flaws” you may perceive yourself as having. Light fixtures that illuminate upward are said to be more flattering, as are lower-wattage bulbs and ones with a pretty blush tint. We also love dimmers, lamps, and candles to set the mood.


Wax on, wax off

                                                               

There's something about having a pedicure that just makes us feel 10 times prettier. The same can be said for shaving your legs, and if you're feeling really ambitious, brave the pain and treat yourself to a bikini wax.


Hit the gym

                                                                               

Research shows that exercise boosts your body image -- even if the number on the scale is exactly the same. In 2009, a University of Florida study found that people who exercise but don't lose fat, gain strength or boost cardiovascular fitness feel just as good about their bodies as their fitter peers. So even if you look more or less the same, you'll feel like you have six-pack abs. And that's hot!


Relax

                                                         

As so many stressed-out, hard-working women know, it's difficult to feel sexy when you're completely exhausted. The secret? Make time for you! Ask him to look after the kids while you sleep in one Saturday. Take a relaxing yoga class or sip a glass of wine with dinner. Suddenly, sex might move up a few notches on your laundry list of things to do.'


Break out of your comfort zone

                                               


Remember cruising with the high school bad boy? Even when you're all grown up, there's something sexy about living just a little bit dangerously. Plan a more-daring-than-usual activity like rock climbing or surfing — anything that gets the adrenaline pumping.


Listen up

                                                          

Ask your partner to remind you of all the things he finds sexy about you, like your legs, eyes and smile. Knowing what he loves about you will help you to see yourself through his eyes. Then, you can do the same for him.

Don't compare yourself to other women

                                                     

Just because Jennifer Aniston looks amazing in a bikini doesn't mean you have to hide under your T-shirt. Comparing yourself to impossibly fit actresses and models, not to mention other women in general, is a recipe for the body blues. Look in the mirror, and take note of what you find sexy about you! You're sexy and you know it (and he does, too).

via : msn

Tuesday, September 24, 2013

দাম্পত্যে রোমান্স ফিরুক ১৪ উপায়ে



দিন যাপনের কোলাহলে কোথায় যেন হারিয়ে যায় দাম্পত্যের আন্তরিকতা। পাশাপাশি থেকেও হয়তো অনুভব করা যায়না সম্পর্কের মাঝে সেই প্রেমের শিহরণ। বিয়ের প্রথম দিকের রোমান্টিক দিনগুলোর কথা মনে পড়লে নিজের অজান্তেই কেমন যেন মন খারাপ হয়ে যায়। অথচ সেই দম্পতি আর বর্তমানের দম্পতি কিন্তু আলাদা নন। কিন্তু তারপরেও দৈনন্দিন ব্যস্ততা আর সময়ের প্রভাবে দাম্পত্য সম্পর্কে কোথায় যেন একটা সুর কেটে যায়। অথচ একটু চাইলেই কিন্তু সেই দিনগুলো, অসম্ভব সুন্দর মুহূর্তগুলো ফিরিয়ে আনা সম্ভব সহজেই!

আপনিও যদি থাকেন এমন পরিস্থিতিতে, তবে আপনারই জন্যে রইলো দারুণ কার্যকর কিছু টিপসঃ

১)স্পর্শ করুনঃ


ভাবছেন, এ আবার নতুন কী! স্বামী স্ত্রীর মাঝে স্পর্শ ব্যাপারটা তো থাকেই। কিন্তু অনেক দিন একসাথে সংসার করার পর একেবারে একঘেয়েমিতে পরিণত না হলেও বিয়ের শুরুর দিনগুলোর মত শিহরণটা ঠিক সেরকম থাকে না। ব্যাপারটা তখন একরকম অভ্যস্ততায় পরিণত হয়। তাই এখানে আপনি একটু বৈচিত্র্য আনতে পারেন আর দাম্পত্য জীবনের একটা বড় পজিটিভ দিক হলো এটি। স্পর্শ করুন আপনার সঙ্গীকে। হতে পারে অফিসে যাবার সময় বা ফেরার পর বা এমনিতেই বাসায় অবসরে অকারণেই কয়েক মুহূর্তের জন্যে জড়িয়ে ধরা বা ছোট্ট একটা চুমু। ক্ষতি কি! বরং আপনার সঙ্গী অবাক ও খুশী হবেন। উনিও আপনাকে উপহার দেবেন এমন কিছুই! রোজ!

২)যৌন জীবনে এগিয়ে আসুনঃ


হয়তো সব সময় আপনার সঙ্গীই এগিয়ে আসেন। কিন্তু একটু পরিবর্তন আনুন না! নিজেই এগিয়ে যান। হ্যাঁ, প্রথমবার ব্যাপারটা খুব অস্বস্তিকর হতে পারে আপনার জন্যে। কিন্তু সম্পর্কে নতুনত্বের ছোঁয়া আনতে এর চেয়ে ভালো বিকল্প নেই!

৩)হাতটা ধরুনঃ


হয়তো দাম্পত্য জীবনের শুরুতে সঙ্গীকে কথা দিয়েছিলেন তার হাতটা কখনোই ছেড়ে দেবেন না। কিন্তু এখন নানা ব্যস্ততায় একবার তার হাতটা ধরে বসে থাকার অবসরও হয়ে ওঠে না। এবার কিন্তু এ কাজটাই করুন। আর তা দারুণ কাজেও দেবে। একসাথে যখন বাসায় বসে মুভি দেখছেন বা টিভিতে খবর দেখছেন সঙ্গীর হাতটা হাতে নিন। দেখবেন, নতুন এক ধরনের অনুভূতি তো টের পাবেনই!

৪)একান্ত মুহূর্ত উপভোগ করুনঃ



একান্ত ভালোবাসার মুহূর্তগুলোর সময়ে ফোন মনে করে বন্ধ করে রাখুন। এর চেয়ে বিরক্তিকর আর কিছুই হতে পারে না। ফোন বন্ধ করে না রাখতে পারলে কমপক্ষে ফোন সাইলেন্ট করে রাখুন। ঘরের কাজের দায়িত্বগুলো ভাগাভাগি করে নিয়ে যত জলদি সম্ভব কাজ সেরে দুজন দুজনকে সময় দিন। হতে পারে বারান্দায় বা ছাদে বসে থাকা, গল্প করা।

৫)প্রশংসা করুনঃ



‘বাহ! আজ তো তোমাকে দারুণ লাগছে’, ‘এই পোষাকটা তোমাকে খুব ভালো লাগে’- এই ধরণের প্রশংসা করুন। তবে যেটা সত্যি সেটাই, বানোয়াট কিছু নয়। প্রশংসার আবেদন সব সময় একই রকম। তাই এ টিপসটা কাজে লাগান। আপনি যখন আপনার সঙ্গীর প্রশংসা করেবেন, তিনি খুশি হবেন ও আপনার ভালো দিকগুলোই তার চোখে নতুন করে ধরা পড়বে। দাম্পত্য জীবনকে দেখার সাদাকালো কাঁচটা বদলে রঙিন কাঁচ লাগান!

৬)উপহার দিনঃ



খুব বেশি খরচের ব্যাপার নয় এটা। হতে পারে এক গাছি কাঁচের রঙিন চুড়ি, হতে পারে একটা চকোলেট, হতে পারে একটা মুভির সিডি বা হতে পারে একটা বডি স্প্রে/টিশার্ট। যা ইচ্ছে দিন। তবু ছোট খাট উপহার মাঝে মাঝেই দিতে পারেন সঙ্গীকে।

৭)একসাথে ছবি তুলুনঃ



সংসারেরর দৈনন্দিন কাজের ছবি তুলে রাখুন। ধরুন আপনার স্ত্রী রান্না করছেন বা স্বামী গাছে পানি দিচ্ছেন এমন কিছু ছবি তুলতে পারেন। একদিন ছুটির দিনে পরিবারের সবাই মিলে টুকরো টুকরো মুহূর্তের ছবি তুলে রাখুন। দিনশেষে দেখবেন আপনাদের রোজকার একঘেয়ে সংসারের টুকরো টুকরো আনন্দের ছবি মিলে কত সুন্দর একটা সুখী জীবন আপনারা একসাথে কাটাচ্ছেন!

৮)একসাথে কিছু ভালো সময় কাটান রোজঃ



এটা করতেই হবে। হোক তা ১০ মিনিটের জন্যে। কাজ থেকে ফিরে টিভি দেখা বা অন্য কাজ থেকে ১০ টা মিনিট সময় বের করে রাখুন কেবল দুজন দুজনের জন্যে। কথা বলুন। কথা শুনুন মনোযোগ দিয়ে। দেখবেন কত না বলা কথা রয়ে গেছে!

৯)একসাথে কিছু কাজ করুনঃ


অফিস থেকে ফিরে একজন মুভি নিয়ে, আর আরেকজন ফেসবুক নিয়ে বসে থাকলে কিন্তু এভাবেই দূরত্ব বাড়তে থাকবে। এক কাজ করুন না, দুজন মিলেই একসাথে করুন। হতে পারে সেটা গেমস খেলা, টিভি দেখা বা অন্য কিছু। সন্তান থাকলে তাদেরকেও আনন্দে সামিল করে নিন।

১০)রান্না করুন প্রিয়জনের পছন্দের খাবারঃ



সঙ্গীর পছন্দের খাবারটি যত ঝক্কিই হোক না কেন মাসে একবার রান্না করার চেষ্টা করুন। বা জেনে নিন তার মায়ের কাছে, ছেলেবেলায় কোন খাবারটি তিনি পছন্দ করতেন, রেসিপিটাও জেনে নিতে ভুলবেন না যেন!

১১)সারপ্রাইজ ক্যান্ডেল লাইট ডিনারঃ


ক্যান্ডেল লাইট ডিনার করতে যে এক কাড়ি টাকা খরচ করে নামী দামী রেস্টুরেন্টেই যেতে হবে এমন কোন কথা নেই! ঘরেই ভালো কিছু রান্না করে সুন্দর করে সাজান। দোকান থেকে কিনে আনুন ফুল আর সুগন্ধী মোম! সঙ্গীকে না জানিয়েই আয়োজন করে রাখুন। দেখবেন উনি তো চমকে যাবেনই! আর চোখের পলকে আপনারাও ফিরে গিয়েছেন সেই শুরুর দিকের রোমান্টিক দিনগুলোয়!

১২)ঘুম থেকে জেগে উঠুন একসাথেঃ


ঘুম থেকে জেগে উঠুন একসাথে আর একই সময়। একটা ছোট্ট চুমু দিয়ে ঘুম ভাঙ্গাতে পারেন আপনার সঙ্গীর। সকালে কাজে যাবার আগে একটু সময় করে একসাথে নাস্তা করুন। চা খান, গল্পগুজব করুন। সকালে দেরী করে ঘুম থেকে উঠে অফিসের দিকে দৌড়াবার চেয়ে সঙ্গীর সাথে কাটানো এই সময়টা সারাদিন আপনাকে অনেক বেশী রিফ্রেশ রাখবে।শোবার ঘরের ঘড়ির কাঁটাটা ১৫ মিনিট এগিয়ে রাখুন। সকালে টাইম ম্যানেজমেন্টে সমস্যা হবে না।

১৩)রোমান্টিক সময় কাটানো স্থান গুলোয় বেড়াতে যানঃ


প্রথম যেখানে হানিমুনে গিয়েছিলেন, বছরে একবার হলেও সেখানে ঘুরে আসুন দুজনে। স্মৃতিগুলো সতেজ তো হবেই আর এর রেশও থেকে যাবে বহুদিন! বন্ধু বা আত্মীয়কে সাথে নিয়ে যাবেন না, কেবল দুজনে যান।

১৪)অতিথিপরায়ণতার মাঝেও নিজেদের জন্যে সময় রাখুনঃ



বাসায় অতিথি আসবেই, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু অতিথিদের জন্যে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনকে ক্ষতিগ্রস্থ করবেন না। চেষ্টা করবেন একসাথে ৫ মিনিট হলেও আলাদা থাকার। একসাথে ঘুমোবার নিয়মটারও পরিবর্তন ঘটাতে যাবেন না। মুখ ফুটে না বলতে পারলেও হয়তো এতে আপনার সঙ্গীর খারাপ লাগতে পারে। কিছু বিষয়ে শক্ত হোন। নিজেদের জন্যে সময় দিন, দাম্পত্যকে সময় দিন। অতিথিদের আপ্যায়ণ করতে গিয়ে যাতে আপনার সম্পর্ক আহত না হয়!


আপনাদের ঘরের বাতাসে এবার সারাক্ষণই ভেসে বেড়াবে ভালোবাসার রঙিন প্রজাপতি। ফিরিয়ে আনুন পুরোনো দিনগুলো। বছরের প্রতিটি দিনই হোক আপনাদের দাম্পত্য জীবনে ভ্যালেন্টাইন্স !


Monday, September 23, 2013

পরকালের ধারণা রূপকথা: হকিং


রয়টার্স

পরকালের ধারণা রূপকথা: হকিং 





 বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং


দীর্ঘকাল ধরেই মানুষ মৃত্যুপরবর্তী জীবন রয়েছে বলে বিশ্বাস করে আসছে। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থও মানুষের এই ধারণায় উৎসাহ জুগিয়েছে। কিন্তু সেই ধারণাকে অস্বীকার করেছেন বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। তিনি পরকালকে রূপকথা বলেই মনে করেন। 

হকিং জানান, পরকাল বলে কিছু নেই এই ধারণা থেকেই নিজের পক্ষাঘাতগ্রস্ত শরীরের বিরুদ্ধে সারা জীবন লড়াই করে গেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে নিয়ে নির্মিত ‘হকিং’ নামের একটি প্রামাণ্যচিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন হকিং।

প্রামাণ্যচিত্রটির চিত্রনাট্য হকিংয়ের নিজের লেখা এবং এর ধারাবর্ণনাও তিনি নিজেই দিয়েছেন।



৭১ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী বিশ্ব সৃষ্টি ও ভৌত-প্রাকৃতিক নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা শীর্ষ বিক্রিত বই “অ্যা ব্রিফ হিস্টরি অফ টাইম” (কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)-এর লেখক। কিছুদিন আগেই তিনি গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন।

২১ বছর বয়স থেকেই দূরারোগ্য মটর নিউরন রোগে ভুগছেন তিনি। ওই বয়সে তাকে জানানো হয়েছিল আর মাত্র দুই কি তিন বছর বাঁচবেন তিনি। কিন্তু সব ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করে বছরের পর বছর ধরে তিনি বেঁচে আছেন।




“সারা জীবন অকাল মৃত্যুর হুমকির মধ্যে আমি জীবনযাপন করেছি, তাই সময় নষ্ট করাকে আমি ঘৃণা করি,” বলেন তিনি।

পক্ষঘাতগ্রস্ত শরীর নিয়ে তার জীবন কাটে হুইল চেয়ারে। কথাও বলতে পারেন না তিনি। মুখের পেশির নড়াচড়ার মাধ্যমে কম্পিউটারে তৈরি করা স্বরে কথা বলেন হকিং। একটি চোখের অর্থপূর্ণ নড়াচড়া সেই কথাকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

‘হকিং’ প্রামাণ্যচিত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত এই তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী জানিয়েছেন, মৃত্যুতে ভয় পান না তিনি। প্রামাণ্যচিত্রটির প্রদর্শনী শেষে উপস্থিত দর্শকদের তিনি বলেন, অন্ধকারকে ভয় পায় এমন মানুষদের বানানো রূপকথা হল পরকাল।

“আমি মনে করি মস্তিষ্ক কম্পিউটারের মতোই মনের একটি কর্মসূচি (প্রোগাম), তাই তাত্ত্বিকভাবে কম্পিউটারে মস্তিষ্কের প্রতিলিপি তৈরি করা সম্ভব, আর এভাবে মৃত্যুর পরেও একটি জীবনকে ধরে রাখা যায়।”

“তবে এখনও পর্যন্ত এটি আমাদের আয়ুষ্কাল ও সামর্থ্যের বাইরে আছে।” বলেন তিনি।





Saturday, September 21, 2013

Tunisian Girls Are Coming Home Pregnant After Performing 'Sexual Jihad' In Syria



REUTERS/Asmaa Waguih

A member of the Free Syrian Army stands guard at a checkpoint they took over early on Monday after clashes with pro-government forces in Salqin city in Idlib October 22, 2012.

A number of girls from Tunisia have become pregnant after traveling to Syria to participate in "sexual jihad," according to Lotfi Bin Jeddo, Tunisia's Interior Minister.

The girls “are (sexually) swapped between 20, 30, and 100 rebels and they come back bearing the fruit of sexual contacts in the name of sexual jihad and we are silent doing nothing and standing idle,” Al Arabiya reported he said during an address to the National Constituent Assembly.

The Telegraph has more:     


"After the sexual liaisons they have there in the name of 'jihad al-nikah' - (sexual holy war, in Arabic) - they come home pregnant," Ben Jeddou told the MPs.

He did not elaborate on how many Tunisian women had returned to the country pregnant with the children of jihadist fighters.

Jihad al-nikah, permitting extramarital sexual relations with multiple partners, is considered by some hardline Sunni Muslim Salafists as a legitimate form of holy war.

Jeddo also said his ministry had taken a number of steps to stem the flow of Tunisians travelling to Syria.

Tunisia's former Mufti (the country's highest religious official) warned earlier this year that 13 Tunisian girls "were fooled" into travelling to Syria to offer sexual services for the rebels. He described the practice as a form of “prostitution.”

“For Jihad in Syria, they are now pushing girls to go there. 13 young girls have been sent for sexual jihad. What is this? This is called prostitution. It is moral educational corruption,” Battikh said.

via : yahoo